Skip to content

আমি এই মিথ্যা সম্পর্ক থেকে মুক্তি পেতে চাই

আমি এই মিথ্যা সম্পর্ক থেকে মুক্তি পেতে চাই: আমাদের পৃথীবীতে সব কিছুর মধ্যে আছে সম্পর্ক।একই ভাবে আরো সম্পর্ক আছে আমাদের মানুষ জাতির মধ্যে।সেটা কিভাবে তৈরি হয়? মনের মিল থেকে, ভালোবাসা থেকে।আর এই ভালোবাসার পিছনে আছে মায়া।আমরা সবাই মায়ার দাস।যে মায়ার জন্য আমাদের মধ্যে তৈরি হয় অনুভূতি।তার জন্য আমরা যেমন সুখ অনুভব করি, সেইসাথে দুংখ ও। এখন আমরা সম্পর্কে চলে আসি, সম্পর্ক তৈরি হয় অপরিচিত মানুষের সাথে, সেটা হয় বন্ধুত্বের মধ্যে দিয়ে অথবা কোন প্রয়োজনে অথবা একই সাথে বসবাসের মধ্যে দিয়ে অথবা ভালোলাগা থাকে ভালোবাসার মধ্যে দিয়ে।এই সম্পর্কে গুলো নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।

আমরা পৃথিবীতে আসার পর প্রথমত পরিবারের আত্নীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশীদের সাথে আস্তে আস্তে পরিচিত হতে থাকি ,সেটা আবার ঘটে মেধা বিকাশের মধ্যে দিয়ে। অর্থাৎ আমরা বড় হোওয়ার সাথে সাথে আশে পাশে পাড়া প্রতিবেশীদের সাথে পরিচিত হই এবং পাড়া প্রতিবেশীদের গন্ডি পেরিয়ে যখন আমরা স্কুল কলেজ এ যায় তখন নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে থাকি তাদের সাথে তৈরি হয় বন্ধুত্ব।এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে ঐ বন্ধুত্ব আপনি ২৭ বছরে দাড়িয়ে ধরে রাখতে পেরেছেন? হয়তো আপনার উত্তর হবে না।ঐ বন্ধুর সাথে আপনার কোন চাওয়া বা পাওয়ার কি কোন কিছুই ছিল না? হয়তো উত্তর হবে হ্যা ছিল কিন্তু পাইনি অথবা পেয়েছি।আমি কেবল আপনার ঐ প্রাইমারি জীবনের বন্ধুর কথা এখানে বলছি না ২৭ বছর বয়েসের পূর্ব পর্যন্ত আপনার ২৫ বছর বয়সের মধ্যে সকল বন্ধুদের কথা বলছি । এরপর আসি আমরা যারা একই সাথে বসবাস করছি তাদের মধ্যে কি কোন ভালো সম্পর্ক তৈরি আছে যার জন্য আপনি বলতে পারেন সে ছিল আপনার পাশে এবং ভবিষ্যতে ও থাকবে।উত্তর হবে না।কারন সবাই বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যাস্ত এছাড়া আপনি কখনো একই স্থানে দাঁড়িয়ে নেই। আপনার সময় আপনার কর্মজীবন আপনাকে ব্যস্ত করে তুলেছে আপনাকে কখনো কখনো করেছে বিষন্ন।তাতেও কি আপনার সেই কর্মজীবন থেকে দূরে আছেন, না।কারন আপনার উদ্দেশ্য আছে একটি।আগে দেখেছি কিছু মানুষ ছিলেন যারা শিক্ষক হতে চাইতেন কারন ইহা একটি সম্মান এর পেশা এখন সেটা ব্যবসায়ে পরিনত হয়েছে।এখন টাকায় সব সম্মান টাকাই সব পেশা।এইক্ষেত্রে ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যে কি কোন সম্পর্ক আছে।উত্তরে কি বলবেন,‌ না তো।২৭ বছর বয়সে গিয়ে বলতে পারবেন এমন একজন শিক্ষক ছিলেন তাকে নিয়ে আপনি গর্ব করতে পারেন। এবার আসি ভালোলাগা থেকে ভালোবাসা। দুইজন ছেলে মেয়ের মধ্যে যে ভালোবাসা তাদের মধ্যে কি কোন চাওয়া পাওয়া নেই। ছেলেটি বেকার হলে যদিও ভালোবাসার ক্ষেত্রে অধিকাংশ ছেলেরাই বেকার থাকে।এখন বেকার ছেলের জন্য মেয়ে অথবা মেয়ের পরিবার এই ভালোবাসা মেনে নিতে চাইবে না খুব কম ক্ষেত্রে মেনে নিবে যদি ছেলেদের পরিবার অবস্থাশালী হয়। এখানে তো আরো বিভেদ আছে।কারন আমরা কেউই মানতে চাই না আমাদের একটাই ধর্ম মনুষ্য ধর্ম এবং আমাদের একটা স্লোগান মানুষ মানুষের জন্য।তো সেই ধর্ম বিভেদ করে আপনি যখন অন্য ধর্মের কারোর সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে চাইবেন সেখানে সমাজে স্বীকৃতি পাইবেন না। তাহলে এই সমাজের মধ্যে আমরা সমাজতান্ত্রিক যুগে বসবাস করছি এই সমাজের মধ্যে আপনার সম্পর্ক কি সত্যি? উত্তর হবে না।কারন এই সমাজেই তৈরি করেছে এই সব বিভেদ, জাত, সম্প্রদায়। আর আজকাল এই সময়ে ভালোবাসা কতটুকু সত্য সেটা নিয়ে আমার ১০০% দিধা আছে।এমন কাউকে দেখিনা যে দুইজনের ভিতর আছে বিশ্বাস, কোন চাওয়া পাওয়া নেই,আছে understanding।তবে একটা কমান জিনিস আমি লক্ষ্য করেছি আমি অধিক মেয়েদের বলতে শুনিছে জানিস আজ আমার বয়ফ্রেন্ড এই গিফটা দিয়েছে সুন্দর না।তবে আপনি এখানে কিভাবে বলতে পারেন এই সম্পর্ক টা সত্যি। এছাড়া আজকের দিনের মেয়েরা তো স্বামীর মঙ্গল কামনার জন্য একটা প্রদীপ ও জ্বালাবে না সেখানে সিঁদুর পড়া দূরে থাক।আর এই সমাজের সংস্কৃতি এমন অবস্থায় পৌঁছে গেছে সিঁদুর পড়েও চুল দিয়ে ঢেকে রাখে, সেখানে পোষাকের কথা দূরে রাখলাম।মা বাবা ভাই বোন সবাই আপনার কাছে কিছু পেতে চাই। বিশেষ করে একটা কমান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সেটা হলো চাকরি।অথচ তারা এটা বলে না তোরা জীবিকা নির্বাহের জন্য কিছু কর। কিন্তু তারা আগে লেখাপড়ার জন্য পেশার দিতো সেটা অবশ্য ভালো তবে এমন ভালো বিকালে চার মিনিট খেলার জন্য আর বাইরে আসতে দিতো না যেটা শহরের দিকে দেখতে পাবেন।আর এখন চাকরির জন্য পেশার দেয়।তাহলে এই সকল সম্পর্ক থেকে আপনি কিভাবে বলতে পারেন এই সব সম্পর্ক সত্য। আপনি কি এইরকম সম্পর্ক পেতে চান না । সব সম্পর্ক যদি এমন হতো আপনাকে সবাই ভালোবাসবে আপনার সাথে আপনার ভালোবাসার মানুষটির মধ্যে বিশ্বাস থাকবে, থাকবে understanding। আপনার কাছে কেউ কিছু জোর পূর্বক আশা করবে না। আপনি পরিবারের জন্য নতুন কিছু করবেন।সততার সাথে থাকবেন সত্যের পথে চলবেন মানুষকে ভালোবাসবেন, একসাথে বাঁচবেন এক সাথে গড়বেন এই সুন্দর পৃথিবীটাটে।কাউকে ছোট করে দেখবে না।আরো কিছু ব্যাখ্যা করার ইচ্ছে ছিল কিন্তু সেটা দীর্ঘ একখানা দার্শনিক আলোচনা তৈরি হতো তাই এই পর্যন্তই সমাপ্তি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.