সেইভ ম্যান ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড

সেইভ ম্যান ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড জীবনটা অতো সহজ নয় ,একটু ভিন্ন করে বলতে হলে নচিকেতার মতো বলতে হয় “অন্তবিহীন পথ চলায় জীবন” আমি অনেক কে দেখেছি খুব সহজেই আরাম উল্লাস এ জীবন যাপন করতে এবং তাদের মুখে বলতে শুনেছি জীবনে শুধুই চিল করতে শেখ সৌরভ। আবার অনেক কে দেখেছি এক বেলা খেয়ে সারাদিন কাটিয়ে দিতে। ধর্মের কাছে সবাই নত। জানি না, এই ধর্ম মানুষকে কি শেখায়? আজ যদি সবাই ধর্মের পথে চলত তাহলে আজ এইরকম ছবি দেখতে হতো না দেখতে হতো না বৃদ্ধা আশ্রম যাইহোক সবকিছুই যেন এক একটি আপেক্ষিক। ধর্ম নিয়ে আর কি বলব ধর্মের কেবল আচার সংস্কৃতি পালন করলে ধার্মিক হোওয়া যায় না। মাঝে মাঝে মনে হয় আজ পৃথিবীটা দাড়িয়ে আছে একটা বাক্যের উপর হয় মরো না হয় বাঁচো। আজ হয়তো এক জন ক্ষুধার্ত মানুষ একটু খাবারের জন্য এই রৌদ্র দুপুরে খাবারের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছে।ভ্যাগের কি নির্মম পরিহাস পৃথিবীতে যেখানে পানির পরিমান চার ভাগের তিন ভাগ সেখানে সেই পানির জন্য হাহাকার করে বেড়াচ্ছে। বিভিন্ন শহরে এই পানির জন্য মানুষ কত কষ্ট করে চলেছে কারন শহরের পানির দাম আছে। কিন্তু আর কত? আমরা কেউ অর্থশালী হয়ে উঠলে পিছনে ফেলে আসা সেই দিনগুলি দিকে তাকায় না আমরা কেবল বাঁচতে চাই এবং শোষন করতে জানি ঠিক যেন এক একটি পরগাছা। অনেকেই আছে তার পিতৃত্ব থেকে পেয়েছেন আবার অনেকে আছেন শুন্য থেকে শুরু করেছেন।আমারা যদি এই ভাবে ভাবতাম কয়েকজন অর্থশালী লোক যে আমি কিছু করি যেখানে কোন বেকারত্ব থাকবে না। থাকবে না কোন কাজের অভাব তাহলে কয়েক বছরে এই পৃথিবীতে কোনো মানুষকে বেকার দেখতাম না এমন সময় সবাই কিছু না কিছু করে খেতে পারতাম জীবন যাপন স্বচ্ছ না হলেও অনাহারে কেউ থাকত না।এ যেন এক ডিজাটাল দূরভীক্ষ।আরে ভাই যখন মধ্যবিত্ত বা তার থেকে একটু বেশি পরিবারের মানুষ বিভিন্ন জিনিসপত্র দাম বাড়লে মিসিল মিটিং করে বেড়ায় তারা কি কখনো এটা ভেবে দেখেছে তাদের থেকেও নিম্ন শ্রেনীর অর্থশালী মানুষ প্রতিদিন তাদের দামে কেনা চাল বার ও কিনে খেতে পারে না তারা কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠ বলে মিটিং মিছিল করতে পারে না। পৃথিবী এমন অবস্থান এ পৌঁছে গেছে যেখানে এখানে কয়েক শ্রেনীর মানুষ হিসেবে ভাগ হয়ে গেছে তার মধ্যে অন্যতম হলো হতদরিদ্র যারা চিতকার করতে বলতে পারে না আমারও মানুষ। অর্থনীতিবিদ বুদ্ধিজীবি তারা দেশের অর্থ নিয়ে ভাবে।ভাবে অল্প সম্পদ দিয়ে কিভাবে চাহিদা মেটানো যায় তারা কি এটা ভাবতে পারে না কিভাবে স্বল্প অর্থ দেশের দারিদ্র্যতা কমাতে পারে‌ এই বিষয় নিয়ে আলোচনায় আসতে গেলে গনতন্ত্র দিক থেকে এক রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকা রাজনীতির দল কে দোষারোপ করে বিভিন্ন বক্তব্য পেশ করবে, কিন্তু তখন তারা ক্ষমতায় থেকে কি করেছিল। সুতরাং কোন রাজনৈতিক দল একটি দেশের দারিদ্র্যতা কমাতে পারে না।একটি সংগঠন তৈরি করুন যেখানে নিজে দায়িত্ব নিন দারিদ্র্য কমান, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংগঠন তৈরি করুন ছড়িয়ে পড়ুন ভিন্ন ভিন্ন যাইগায়। একজন ব্যক্তি কেবল কিছু করে বিভিন্ন স্যোশাল সাইটে ছবি ভিডিও প্রকাশ করে যেটাকে বলা যেতে পারে সে দান করেছে তা মানুষ কে দেখানো।এই সব ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন সামান্য বা তার থেকেও বড় কিছু দান করে মানুষ কে জানাবেন না।আমি অনেক লোক কে দেখেছে বহু কিছু দান করতে কিন্তু তাদের নাম প্রকাশ করতে দেখেনি। আপনি যদি সত্যি ভালো বেসে দান করেন তাহলে আপনার জানানোর প্রয়োজন পড়বে না এমনিতেই মানুষ জেনে যাবে। কিছু মানুষ আছে কেবল পূন্য করতে চাই সোয়াব পেতে চাই ছোট কিছু করে তো সেই স্বল্প কিছু কি করে তা সেও জানে না।যদি পরোলোক বলে কিছু থাকে তাহলে আপনাকে মৃত্যুর পর যদি জিজ্ঞেস করা হয় আপনার এলাকার আপনি কতজন দরিদ্র মানুষকে সাহায্য করেছেন, তখন আপনি অর্থশালী ব্যক্তি হিসেবে কি উত্তর দিবেন।কত প্রশ্ন কত ব ই পড়ার পর আজ আপনি বিসিএস ক্যাডার এখন ভালো একটা চাকরি করেন ভালো মানের বেতন পান তখন যদি আপনাকে এই প্রশ্ন করে তখন আপনি কি উত্তর দিবেন।আপনি যদি বলেন আপনি মসজিদ এ দান করেছেন কিছু টাকা বা মন্দিরে।তখন আপনাকে যদি বলা হয় সেই মসজিদ কতৃপক্ষ বা মন্দির কতৃপক্ষ সেইটাকা স্বল্প পরিমাণ এ কাজে লাগিয়ে বাকিটাকা আত্মসাত করেছে।তখন আপনি বলবেন আপনার দান করার কথা আপনি করেছেন তারা কি করল সেটা আপনার লেখার বিষয় নয়।তাহলে আমি বলব আপনি এই খানে সব থেকে বড় পাপ করেছেন একটু পূন্য করতে এসে কারন আপনি জেনে শুনে এই পাপ করেছেন অথবা নিজের অজান্তেই করুন না কেন দেখে শুনে দান করুন যেন সেই দান থেকে যেন ভোক্ষক না হয়। প্রয়োজনে আপনার সেই টাকা দিয়ে নিজে কিছু করুন অন্যকে সাহায্য করুন।তাহলে এতেই আপনার সোহায়ব হবে আপনার নিজের অজান্তেই আপনি তখন একজনের জন্য কিছু করতে যাবেন তখন তার লুকিয়ে থাকা দুংখের ভিতর তখন একটু হাসি দেখতে পাবেন তখন আপনার মনে হবে না আমি আজ ভালো কিছু করেছি। পৃথিবীতে সবার দুংখ কারোর মাঝে সুখ নয় এখানে আমি বলব দুংখ মানুষ নিজ নিজেই তৈরি করে। কেবল কিছু সংখ্যক ব্যক্তি ছাড়া আজ কিছু মানুষ আছে রাস্তায় ছোট ছোট বাচ্চাদের দেখা যায় এখানে বলতে কষ্ট হলেও অনেকের বাবা মা নেই আবার অনেকের মা আছে বাবা নেই অথবা তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়েছে।এখন প্রশ্ন এই শিশু রা এখন কি করবে তাদের ভবিষ্যৎ কি? তারা হয়তো বড় হয়ে অথবা ছোট থেকেই অনেক কে ভিক্ষা করবে খাবারের অভাবে হাহাকার করবে অনেকে চুরি করবে আবার অনেক এক সময়ে না খেতে পেয়ে মারা যাবে। আজকাল দেখা যায় ছোট কিংবা বড় যেকোন বিষয় নিয়ে ইয়ং জেনারেশনের লোকজন আত্মহত্যা করতে যাই । তাহলে তাদের অবস্থা কি যাদের কথা একটু আগে বললাম। তাহলে তাদের উচিত একটু বোঝার মতো বয়স হলে আত্মহত্যা করা করান এদের থেকে তো ওদের আরো অনেক কষ্ট এরা তো খেয়ে ভালো পোশাক পরে বেঁচে আছে আর ওরা যে অনেক এ আছেন ওদের মা বাবার নাম জানে না অনেকেই আছে কষ্ট করে এই জীবনের প্রদীপের আলো কোন ভাবে জ্বালিয়ে রেখেছে।এই পৃথিবীতে মানুষ মানেই এক মহাকাব্য আবার মানুষ মানেই এক ছলনা আবার মানুষ মানেই এক যন্ত্রময় জীবন। এছাড়া মানুষ কে আরো ভিন্ন মতের প্রকাশ করা যেতে পারে কিন্তু তা বলে হয়তো শেষ করা যাবে না।আজ আমি একজন ছাত্র তাই হয়তো আমার কলমে আজকের এই প্রতিবাদ কিন্তু যারা কিছু করতে পারে তাদের কলম এবং সামর্থ্য এখানে নিরব। কিছু সংগঠন করা প্রয়োজন মানুষের জন্য কিছু করা প্রয়োজন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংগঠনে এই ধারাবাহিকতায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে মানুষ কে কিছু করতে হবে নাহলে মানুষ কে এক সময় বাঁচানো সম্ভব হবে না। একদিন সবার এই পরিস্থিতিতে পড়তে হবে সেদিন এই টাকার মূল্য হয়ে যাবে শুন্য।জীবনকে এতো সহজ ভাবে নেওয়াটা খুবই কঠিন তারা সহজ ভাবে নিয়েছে তারা এখনো বুঝতে পারি নি বাস্তবতা কি।আমি কাছ থেকে দেখেছি এক মায়ের কান্না আমি কাছ থেকে দেখেছি ছোট একটা বাচ্চার ক্ষুধার্ত জীবন। তোমার সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসো আপনার জন্য একটা মানুষ বাঁচুক, পৃথিবীতে মানুষ কে বাঁচান।

কলাম:সেইভ ম্যান ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড
কলামে: সৌরভ হালদার
Save Man in the World

Leave a Reply

Your email address will not be published.