আমরা বাঙ্গালিরা সবসময় কেন হেয় বলে প্রতিপন্ন হই

আমরা বাঙ্গালিরা সবসময় কেন হেয় বলে প্রতিপন্ন হই : আজ বিশ্ব দরবারে যে বড় বড় অবদান রাখছে,যেবড় বড় অবদান প্রযুক্তিতে এবং যেসব ক্ষেত্রে এগিয়ে তার ভিতরে Ranking এর দিক থেকে দেখতে গেলে হয়ত বিশ্ববিদ্যালয়ের Rank এর মতো দাঁড়াবে।আমরা বাঙ্গালী জাতি ঠিক বানোরের মতো অনুকরণ করতে পছন্দ করি।আমরা বেশ গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারি আমরা চাই কষ্ট না করে অথবা খুব কম পরিশ্রমে কিভাবে অধিক টাকা রোজগার করা যায়।আমরা অলস এইজন্য আমরা গর্ববোধ করি আমরা উপহাস করতে পছন্দ করি এইরকম অনেক গুন আছে তা বলে শেষ করা যাবে না।এই বাঙ্গালি হিসেবে কেমন করে আজ আমরা বিশ্ব দরবারে পৌঁছাব। তারপর আমাদের একটা ট্যাগ লাইন আছে আমরা পরিশ্রম কম করব আবার এক লাফে চাঁদ ধরতে যাবো। এইজন্য আমাদের উন্নয়ন হোয়ার আগে নির্ধারন করতে হয় কোন পকেট এ কত দিতে হবে।আমরা এমন এক জাতি বাংলার ছাত্র হয়ে ব্যাংকে চাকরি করছি।আর কিছু মানুষের ধারনা হয়েছে যে কেউ ব্যাংকে চাকরি করতে পারে ব্যাংকে কাজ নাকি টাকা গোনা আর সব কাজ‌‌ সফটওয়্যার এ করতে হয়।তাহলে আজ বাংলাদেশ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে।আমরা কি এক জেনারেশন কে বদলাতে পারি না? তাহলে বদলাবে দেশ, বদলাবে প্রত্যেকটি জেনারেশন।আজ আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা কি ঠিক ভাবে চলছে।ঠিক ভাবে চলছে কি এই দেশের ব্যবস্থা। ধরুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে গত কয়েক বছরের মধ্যে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দিতে পেরেছে কি কোন আবিস্কার বা কোন গবেষণা।এই দূর্বল শিক্ষার ভিতরে আবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কে আরো দুর্বল করে রাখা হচ্ছে। চাকুরীর ক্ষেত্রে কতটা দক্ষতা রাখছে ছাত্ররা এবং কতটা দক্ষতা রাখলে সে চাকরি পাবে এ নিয়ে আর আলোচনা করছি না কারন তাদের প্রথম থেকেই দক্ষতা শূন্য এর মূল কারণ এই দেশ তাকে কি শিক্ষা দিয়েছে এবং সে ছাত্রর হিসেবে কি শিখেছে। একজন মাস্টার পাশ করা ছাত্রর কে যদি জিজ্ঞেস করা হয় আপনার সারা জীবনের শিক্ষা ও দক্ষতার জ্ঞান ১০০ ভিতর কত দিবেন?তখন হয়তো সে চক্ষু লজ্জায় বলবে ৬০ পারছেন কিন্তু আমি মনে করি তাকে শূন্য দিলেও সেটা বেশি হবে। এইসব কারনে বা অকারণে আজ আমরা বাঙ্গালিরাই পিছিয়ে এর আরেকটি বড় কারন হলো সিরিয়াল তা দেখলে আমাদের মন মানসিকতা কেমন তা বোধগম্য হয়।কারা দেখে এই সিরিয়াল কেনো দেখো তা আমি এখনো বুঝে উঠতে পারি না। বাঙালি বলে কখনো ফিরে দেখা রবীন্দ্রনাথ,কাজী নজরুল,স্বামী বিবেকানন্দ, অভিজিৎ অর্থনীতি বিদ এদের দেখে নিজেকে গর্ব করতে ইচ্ছে করে সেই সাথে বর্তমান পরিস্থিতি বাঙালি জাতি বলে গর্ব বোধ করিতে লজ্জা লাগে।

হঠাৎ বাঙালি সম্পর্কে ইতিকথা জানতে জানতে খুঁজে পেলাম এটি,

এই ম্যাগাজিনটা লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন,১৯৭১ এ প্রকাশিত ‘বাংলা দেশ’—ঠাকুরের বিদ্রূপাত্মক উত্তরাধিকার। সম্পর্কে লেখা
পত্রিকা দ্যা নিউ ইয়র্ক টাইমস@nytimes

মূল লেখা: এখানে দেখুন

প্রথম কয়েক প্যারা পর লক্ষ্য করলে এটা দেখতে পাবেন

Wiry, mercurial and prone to fits of violence, the Bengalis are at the same time handsome, delicate and gentle, passionately addicted to poetry and politics it is no exaggeration that where there is one Bengali there is a poet; where two, a little magazine, where three, a political party

অর্থাৎ

বাঙ্গিলরা একই সাথে সুদর্শন, কোমল, কবিতা ও রাজনীতিতে আসক্ত, এটা অত্যুক্তি নয় যে যেখানে একজন বাঙালি সেখানে একজন কবি আছে; যেখানে দুটি, একটি লিটল ম্যাগাজিন, যেখানে তিনটি, একটি রাজনৈতিক দল।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.